চীনের জিংজিয়াং যেন একটুকরো বাংলাদেশ, তাদের ক্ষমতাসীন নাস্তিক শাসক যেন বাংলাদেশের আওয়ামি নাস্তিক শসক।
খবরঃ এবার চীনে নাচতে বাধ্য হলেন ইমামরা
চীনে ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর খড়গহস্তের খবর প্রায়ই শোনা যায়। তেমনি আরো একটি ক্র্যাকডাউনের খবর শোনা গেল। পূর্বচীনের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জিনজিয়াং প্রদেশের ইমামদের-
- রাস্তায় নাচতে বাধ্য করেছে কর্তৃপক্ষ।
- শপথ করানো হয় যে, তারা কখনো বাচ্চাদের ধর্ম শিক্ষা দেবে না এবং বলবে প্রার্থনা আত্মার ক্ষতি করে।
- রাস্তায় নাচের সাথে সাথে ইমামদের স্লোগান দিতে হয়-‘আল্লাহ থেকে নয়, আমাদের খাবার আসে সিকেপি থেকে’।
- রাস্তায় নাচতে বাধ্য করেছে কর্তৃপক্ষ।
- শপথ করানো হয় যে, তারা কখনো বাচ্চাদের ধর্ম শিক্ষা দেবে না এবং বলবে প্রার্থনা আত্মার ক্ষতি করে।
- রাস্তায় নাচের সাথে সাথে ইমামদের স্লোগান দিতে হয়-‘আল্লাহ থেকে নয়, আমাদের খাবার আসে সিকেপি থেকে’।
চীনের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম বলা হয়, দেশকে সমর্থন জানাতে ইমামরা সিভিলাইজেসন নামে একটি স্কয়ারে জড়ো হয়ে স্লোগান দিয়েছে। স্লোগানের মধ্যে ধর্মের আগে রাষ্ট্রকে প্রধান্য দেয়া হয়। যেমন বলা হয়-
- ‘রাষ্ট্রের শান্তি আত্মার শান্তি দেয়’।
- ইমামদের আরো আদেশ দিয়ে বলা হয়েছে, বাচ্চাদের মসিজদে যাওয়া থেকে বিরত রাখতে হবে এবং প্রার্থনা আত্মার জন্য ক্ষতিকর এটা বোঝানোর পাশাপাশি নাচের প্রতি উৎসাহিত করতে হবে।
- ‘রাষ্ট্রের শান্তি আত্মার শান্তি দেয়’।
- ইমামদের আরো আদেশ দিয়ে বলা হয়েছে, বাচ্চাদের মসিজদে যাওয়া থেকে বিরত রাখতে হবে এবং প্রার্থনা আত্মার জন্য ক্ষতিকর এটা বোঝানোর পাশাপাশি নাচের প্রতি উৎসাহিত করতে হবে।
শুধু পুরুষ নয়, আদেশ জারি করা হয়েছে নারী ধর্মশিক্ষকদের প্রতিও। বলা হয়েছে বাচ্চাদের ধর্মীয় শিক্ষা দেয়া যাবে না এবং তাদের ধর্ম থেকে দূরে রাখতে হবে।
তুর্কি ভাষাভাষী প্রায় ৮০ লাখ মুসলিম চীনের উত্তর-পূর্ব জিনজিয়াংয়ে বসবাস করে। জিনজিয়াংকে পূর্ব তুর্কিমেনিস্তান উল্লেখ করে ১৯৫৫ সাল থেকে সেখানে স্বশাসনের দাবি করছে বাসিন্দারা। নিরাপত্তার নামে সেখানে ব্যাপক ক্রাকডাউন চালাচ্ছে চীনা কর্তৃপক্ষ। চীনা কর্তৃপক্ষের দমননীতিকে পাল্টা সন্ত্রাসবাদ নাম দিয়ে জিনজিয়াংয়ে উইঘুর মুসলমানদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় দমন বলে অভিযুক্ত করে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন।
গত নভেম্বরে সরকারি কোনো বিল্ডিংয়ে ধর্মীয় অনুশীলন নিষিদ্ধ করে চীনা কর্তৃপক্ষ। একই সাথে নিষিদ্ধ করা হয় ধর্মীয় পোশাক ও সংশ্লিস্ট কোনো লেগো। এর আগে আগষ্টে উত্তর জিনজিয়াংয়ের কারামান শহরে যুবকদের দাঁড়ি রাখা, নারীদের বোরখা ও হিজাব নিষিদ্ধ করে প্রশাসন।
এরও আগে জুলাইতে চীনা পর্যবেক্ষকরা রমজারে রোযা থেকে ছাত্র এবং সরকার কর্মচারীদের নিষিদ্ধ করে এবং কর্তৃপক্ষ তাদের ধর্মীয় যেকোনো অনুসঙ্গ থেকে বাসিন্দাদের বিরত রাখতে উৎসাহিত করার চেষ্টা চালায়।
সত্যি এই যেন একটুকরো ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ। আপনারা যারা সেকুলারিজম বা নাস্তিক্যবাদের পেছনে ছুটছেন, মনে রাখবেন- আজকের জিংজিয়াং এই হচ্ছে সেই তথাকথিত সেকুলারিজম বা নাস্তিকবাদের রেজাল্ট। এই সেকুলারদেরকে যদি এখনই থামানো না হয় তাহলে হয় অদূর ভবিষতে আমাদের ধর্ম বলতে কিছুই থাকবে না, যা এখন আওয়ামিলীগের নেই।
আল্লাহ জিংজিয়াং মুসলিম ভাইদের রক্ষা করুন,
বাংলাদেশের মুসলিমদেরকেও রক্ষা করুন। আমিন..
বাংলাদেশের মুসলিমদেরকেও রক্ষা করুন। আমিন..
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন